বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:৪৪ এএম
বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস আলোচিত পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলার আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া আবিরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত শনিবার চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাসের আদালতে এ মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এ মামলায় ৩৩ জন সাক্ষ্য দেন। গত শনিবার মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হওয়ার পর রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। আদালতের পিপি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘মামলায় ৩৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।’
জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট ওয়াছমুন্সী বাড়ির বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াতকে খুন ও তার মরদেহ ৬ টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ড সারাদেশে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে জানা যায় প্রতিবেশী আবীর আলী শিশু আয়াতকে খুন করেছেন। আবীর আলী বর্তমানে কারাগারে আছেন।
ঘটনার দিন বিকালে ঘরের পাশে মসজিদে আরবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল আয়াত। ওই ঘটনায় আবীরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে আবীর স্বীকার করেন, আয়াতকে খুনের পর লাশ ছয় টুকরো করে সাগরের পানিতে ভাসিয়ে দিয়েছেন তিনি।
জিজ্ঞাসাবাদে আবীর জানিয়েছিলেন, আয়াতদের নিচতলায় যে বাসাটিতে তার বাবা থাকেন, সেটির চাবি তার কাছেও ছিল। ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর বিকালে ঘরে ঢুকে শ্বাসরোধে আয়াতকে হত্যা করেন। পিবিআই জানিয়েছিল, ‘মুক্তিপণের’ জন্য শিশু আয়াতকে অপহরণ করেন আবীর। কিন্তু কোথাও রাখার জায়গা না পেয়ে তাকে হত্যা করেন। তারপর আয়াতের বাবার কাছে টাকা দাবি করার পরিকল্পনা করেন তিনি। সেজন্য একটি মোবাইলও কেনেন। আর আগে রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া একটি সিম তার সংগ্রহে ছিল। কিন্তু সেটা সচল না থাকায় ফোন করতে পারেননি।
পিবিআই সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি এবং আয়াতের জুতা উদ্ধার করেন। ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাট সংলগ্ন সুইচ গেইটের এক গর্ত থেকে আয়াতের দুই পা এবং পরদিন খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পিবিআই। ওই ঘটনায় আয়াতের বাবা নগরের ইপিজেড থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে আবীরের বাবা, মা ও ছোট বোনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জেনেও গোপন রাখার অভিযোগে ১৭ বছর বয়সী অপর এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর আবীরের বাসায় পাওয়া রক্তের ছিটার ডিএনএ পরীক্ষা করে তার সঙ্গে শিশু আয়াতের ডিএনএর সঙ্গে মিল পায় পিবিআই।
তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে। সেখানে আবীর আলীকে আসামি করে তার বাবা-মা ও বোনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর আবীর আলীর বিরুদ্ধে এই হত্যা মামলায় বিচার কাজ শুরু হয়। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ড ও লাশ কেটে গুম করার পরিকল্পনা ও ঘটনা জেনেও গোপন রাখায় আবীরের সঙ্গী ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের বিরুদ্ধে দোষীপত্র জমা দেওয়া হয়।
দীর্ঘ শুনানি ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় পৌনে চার বছর পর চাঞ্চল্যকর ওই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান বলেন, "এদে... বিস্তারিত
ডিআইজি চট্টগ্রাম রেন্জ এর নির্দেশে ও অফিসার ইনচার্জ মহেশখালী থানা এর নেতৃত্বে থানার পুলিশ উপ-পরি... বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সাথে পালনের লক্ষ্যে "... বিস্তারিত
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী সকল শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার অংশ ... বিস্তারিত
বোয়ালখালী উপজেলার পৌরসভাধীন পূর্ব কালুরঘাট ব্রিজ থেকে চরণদ্বীপ এলাকা পর্যন্ত অবৈধভাবে বালু উত্... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে নিয়মিত মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাস্টার প্যারেডে পুলিশ সুপ... বিস্তারিত
জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান বলেন, "এদে... বিস্তারিত
ডিআইজি চট্টগ্রাম রেন্জ এর নির্দেশে ও অফিসার ইনচার্জ মহেশখালী থানা এর নেতৃত্বে থানার পুলিশ উপ-পরি... বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সাথে পালনের লক্ষ্যে "... বিস্তারিত
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী সকল শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার অংশ ... বিস্তারিত